সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
এ এইচ অনিক বিশেষ প্রতিনিধি। এক সময় নৌপথে চলাচলের একমাত্র নদী ছিলো কাচা নদীর শাখা নামে পরিচিত এই নদীটি। যেমন ঢাকা বরিশাল সহ দূরপাল্লায় যাতায়াতের একমাত্র সহজ পথে চলাচল করতে এই নদীটিই এ-অঞ্চলের জনসাধারণের সহজ পথ বলে জানিয়েছেন অনেকে। যে-মন আগৈলঝাড়ার পয়সারহাট থেকে ঢাকার সদরঘাটের সহ বড়ো লঞ্চ চলাচল সহ, সাতলা থেকে শিকারপুর বানারীপাড়া ইন্দেরহাট বইঠা কাটা শ্রীরাম কাঠি হুলারহাট সহ কয়েকটি লঞ্চ মিলিয়ে ছোটো বড়ো ২০ থেকে ৩০টির মতো লঞ্চের যাতায়াত ছিলো এই নদী দিয়ে। পরবর্তী সময়ে সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে পয়সার হাট, সাতলা, হারতা বিশার কান্দী সহ কাচা নদীর শাখার উপর দিয়ে একের পর এক বিশাল বিশাল সেতু নির্মাণের ফলে, নদীর স্রোত বাধাগ্রস্ত হয়ে নাব্যতা হারাচ্ছে প্রাচীন এই কচা নদীর শাখা নদীটি। এখানে ঘনো ঘনো সেতু নির্মাণ ও নদীর তীর ঘেশে, কচুরিপানা জব্দকরে বাঁশ পুতে অসাধু কিছু মৎস্য চাষীরা সরকারি খাল দখল করে অবৈধ ভাবে ঝাউ বা ঝাইল নির্মাণ করার কারনে পনির স্রোত কমে গিয়েছে। যে-কারনে নদীর পানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং নদীতে ঘনো ঘনো চরের দেখা মিলছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সাতলা বাজার খেয়াঘাটের পচ্চিম প্রান্তে নুতান একটি চর জেগেছে। একারনে খেয়ার ট্রেলার পারাপারে বিগ্ন ঘটছে। আরো একটু দক্ষিণ দিকে গিয়ে নদীর তিন মোহনায় ছিদ্দিক বালির ঘোপ নামে পরিচিত, ওখানেও বিশাল চর জেগেছে। এমন আরো কয়েকটি এলাকায় নুতান চরের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়াও সাতলা থেকে হারতা নদীতে একসময় কয়েকটি লঞ্চ চলাচল করলেও দীর্ঘদিন অবৈধ ঝাউয়ের কারনে নদীতে পানির স্রোত না-থাকায় কচুরিপানা জমে নৌ চলাচল বন্ধো রয়েছে। এভাব একসময় প্রাচীন নদীটি বা কচা নদির শাখাটি সুধু সৃতি হিসেবেই থাকবে বলে এলাকা বাসির শংকা।